Friday, April 5, 2024

আজকাল ফেসবুক খুললেই মনটা খুব ভারাক্রান্ত হয়ে যায়। ঘটমান বর্তমান সময়ের পোস্টগুলো দেখে অদ্ভুতরকম নিরুত্তাপ থেকে যাই। কিছুদিন আগে অবধিও যে সব পোস্টগুলো দেখে রাগ বা ঘেন্না থেকে তীব্র রিয়াক্ট করতাম, আজকাল নিজের ওপরই রাগ বা ঘেন্না হয়!! তবুও অনুপ্রেরণার উদযাপনের মধ্যে প্রেরণাদের দেখে মনে আসে "বৃথা আশা মরিতে মরিতেও মরে না"। সভ্যতার এই কালবেলাতেও এক "সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক" ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করে।

৩০/০৫/২০২৩

সুমন সিনহা

কলকাতা কলকাতা


It's the season of love in my city
My rehearsal room is shining bright
Occasionally, unknown parachutes descend
And here's my note for you, my friend
That I am at Kolkata...


          Good morning!!!

          ২৪/০৪ /২০২৩

          টুকরো ভাবনা

          আচ্ছা, ১৫২৬ সাল থেকে ১৮৫৭ সাল অবধি ইতিহাস বইগুলোতে কী লেখা থাকবে এখন?


          ১১ /০৪ /২০২৩

          এলোমেলো ভাবনা - ৬

          জীবন মোটামুটি তার চেনা ছন্দে চলে। প্রত্যেকেই তার জীবনের সেই চেনা ছন্দে অভ্যস্ত। প্রাত্যহিকতার সেই ছন্দের ভেতরে তার শখ-আহ্লাদ, ইচ্ছে, নেশা ইত্যাদি চাপা পড়ে যায়। হয়তো বা হারিয়েও যায় অনেকের ক্ষেত্রেই। ছান্দিক সেই জীবনে থেকে কি নিজেকে চেনা যায়? নাকি চেনা সত্তাটাই অচেনা মনে হতে থাকে নিজের কাছে? কিন্তু চেনা গন্ডির বাইরে বেরোতে চাইলেও অন্যদের খুব অচেনা লাগে তখন। চেনা চেনা লোকগুলো কেমন যেনো অচেনা ঠেকে! এ এক অদ্ভূত বৈপরীত্য, একটা প্যারাডক্স। এই একাকীত্ব কি জীবনেরই উপহার? "একে একে কথা বলা /নিজের জন্য বাঁচা, নিজেকে নিয়ে" - এই সীমাবদ্ধতার বাইরে বেরোতে গিয়ে যখন আবিষ্কার করি ছুটে চলাটাই শুধু শুধু, তখন নিজেকে শুধু একাই লাগে। সেই একাকীত্ব নিঃসীম, সেই অনুভূতি খাঁটি। নাকি সবাই নিজেকে নিয়েই থাকতে চায়? নিজের জন্যই বাঁচতে চায়? সম্পর্ক কি নিজের মতো বাঁচার একটা শর্ত নাকি একটা বিভ্রম (ইলুসন্)? প্রতিশ্রুতি, স্মৃতি - এসব কি কেবলই ভ্রম?? স্মৃতি বোধহয় শুধু শূন্যতা রেখে যায়... ফুরিয়ে যাওয়া বোধহয় অনিবার্য নিয়তি। ফুরিয়ে যাওয়ার আগে ফিরিয়ে নেওয়ার কেউ থাকে কি সত্যি? আজকাল নির্মলেন্দু গুনে'র লাইন দুটি খুব মনে হয় "আমি জন্মের প্রয়োজনে ছোটো হয়েছিলাম, মৃত্যুর প্রয়োজনে বড় হচ্ছি"।


          সুমন সিনহা
          ০৩/০৪/২০২৩

          এলোমেলো ভাবনা (৫)

           

          গত সোমবার এখানেই একজনের আমন্ত্রণে বাসন্তী পুজো উপলক্ষে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গেছিলাম। প্রবাসী বাঙালিদের একটি মঞ্চ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা ও পরিবেশনায় সবাই বাঙালি। অল্প কয়েকটি স্টল ছিল। তার মধ্যে একটি মুদিখানার দোকানও ছিলো। দোকানটার সামনে দাঁড়িয়ে একটা অদ্ভুত মনকেমন করা অনুভূতি হলো যে অনুভূতি ভাগ করে নেওয়ার, যে অনুভূতি অনুভব করার কেউ নেই এখানে, এই প্রবাস জীবনে। দোকানের নানারকম সামগ্রী আমাকে অতীতচারী করে তুলেছিল, আমার বাঙালিয়ানাকে নাড়া দিয়েছিলো। বাংলার চাওমিনের প্যাকেট, বড়ি, বর্ধমানের মুড়ি, জে.কে পোস্ত, মুখরোচক চানাচুর, আমসত্ব, বাংলার আঁচার... এরকম আরো অনেককিছু। প্রবাসে থেকে এসব স্মৃতিবিজড়িত জিনিস অনেকসময়ই সময়ে বা দরকারে পাওয়া যায় না (এই ই-কমার্সের যুগেও)। স্মৃতি স্বভাবত অবাধ্য, তাই মনে নিতে না পারলেও সেসব মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। যাইহোক, দাম একটু বেশী নিলেও বেশ কিছু জিনিসও কিনে ফেললাম। কিন্তু দুটো জিনিস দেখে গভীর ভাবে অনুভব করলাম যে আবেগ, ভালোলাগা, মনের টান, ভালোবাসা'র কোনো তত্ত্ব হয় না, সেটা জীবনের অঙ্গ, যাপনের অঙ্গ। সে দুটি জিনিস হলো ইঞ্জিন সর্ষের তেল আর ঝর্ণা ঘি। ছবি গুলো পরে বাড়িতে তুলেছি।

          সুমন সিনহা
          ৩০/০৩/২০২৩


          অনুভূতি

           অনুভূতি 

          -----------------
          সত্যি বলা ছেড়েছো তো
          অনেক বছর আগে
          মিথ্যেও যে শিল্প হয়
          শিখেছি তোমার কাছে।
          সকাল বিকেল বলতে যখন
          তোমায় ভালোবাসি
          তখন কি আর বুঝতাম
          সে সবই ছলচাতুরি!
          কত কথা, প্রতিশ্রুতি...
          ভাবি আর হাসি
          মানুষও এত ভণ্ড হয়
          আর এত মেকি!
          নেশা তোমার অন্য কিছুর
          মানতো না তবু মন
          অজুহাতেই কাটাতে পারে
          কেউ তার সারা জীবন!
          দেখা হলো তো অনেক কিছুই
          প্রতারণা, বোলচালে
          আরো কি কিছু শেখার আছে
          ঠেকে এবং ঠকে?
          দেখলে খেলা, বুঝলে নাচা
          ঢোকেনি কিছু মগজে?
          বিশ্বাস করে ঠকা ভালো
          "সত্যরে লও সহজে"।
          সুমন সিনহা
          ২০/০৩/২০২৩

          এলোমেলো ভাবনা - ৪

          মায়ার জঞ্জাল বাংলা সিনেমাটা দেখতে খুবই ইচ্ছে করছে কিন্তু পুণেতে কোনো হলেই রিলিজ করেনি। রোজই বুক-মাই-শো তে দেখি, আশা ছিল এই সপ্তাহান্তে হয়তো কোনো না কোনো হলে আসবে। কিন্তু দেখলাম না। মায়ার জঞ্জাল নিয়ে মোটামুটি সব রিভিউ গুলোই কমবেশি পড়েছি, সাক্ষাৎকারগুলোও দেখেছি। ভারত বাংলাদেশ দুজায়গারই। তাতে আরো বেশি ইচ্ছে জেগেছে সিনেমাটি দেখার। আজ পরিচালক ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী, ব্রাত্য বসু ও কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়ের একটি আলোচনা শুনছিলাম সিনেমাটি নিয়ে। অসম্ভব সুন্দর একটি আলোচনা। জীবন যাপনের বিভিন্ন আঙ্গিক, চাহিদা নিয়ে আলোচনার সময় স্বাভাবিক ভাবেই আশাবাদ নিয়ে কথা ওঠে। ইন্দ্রনীল বাবু বললেন মানুষ তখনই আশাবাদী হয় যখন তার কাছে তথ্য (ইনফরমেশন) থাকে না বা কম থাকে। কিন্তু যখন সে কারোর সম্পর্কে তথ্য বা ইনফরমেশন জানতে পারে, তখন চাইলেও সে আর আশাবাদী হতে পারে না। এই ভাবে আগে কখনো ভেবে দেখিনি...

          ০৪/০৩/২০২৩

          সুমন সিনহা

          জীবনানন্দ দাশ

          আজ "নির্জনতম কবি"র মৃত্যুদিন। বিবরবাসী এই মানুষটির সোচ্চার স্বপ্ন ছিলো "কলকাতা একদিন কল্লোলিনী তিলোত্তমা হবে"। ভীষন ক্লা...