Monday, April 8, 2024

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

আমাদেরও একজন বিদ্যাসাগর ছিলেন। ভাবতেই কেমন অবাক লাগে আজ। একজন শিক্ষাবিদ ও সমাজ সংস্কারকই শুধু ছিলেন না উনি, সীমাহীন ব্যাপ্তি ছিল ওঁর। বাংলা গদ্যের আধুনিকীকরণ ও বাংলা বর্ণমালার বিজ্ঞানসম্মত রূপায়ণে ওঁর অবদান অবিস্মরণীয়। বিধবা বিবাহ আইন প্রণয়নে শুধু মুখ্য ভূমিকাই উনি নেন নি, বিধান পরিষদে সেই আইন পাশ করাবার জন্য চরম বিরোধিতা ও অপমান সহ্য করেও সই সংগ্রহে নেমেছিলেন। বিরোধীরাই বেশি সই সংগ্রহ করেছিলেন। বিল পাশের বিরুদ্ধে প্রায় চারগুণ বেশি সই পড়েছিল!! না, সংখ্যাগরিষ্ঠতাবাদ (majoritarianism) মানেই ঠিক নয়। লর্ড ডালহৌসী বিলটি চূড়ান্ত করেন ও ১৮৫৬ সালে বিধানসভায় বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়। বাল্যবিবাহ'র বিরুদ্ধে বিদ্যাসাগরের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল ছিল Age of Consent Act, 1891. নারী শিক্ষা ও নারী স্বাধীনতার পক্ষে গলা ফাটানো এই অগ্রণী বাঙালি পুরুষ মানুষটিকে আজকের দিনে স্মরণ করা ছাড়া আর কি-ই বা করতে পারি!

সুমন সিনহা

২৬/০৯/২০২৩ 



এলোমেলো ভাবনা - ৮

২৭ বছর আগেকার একটা পুরোনো বিল (মহিলা সংরক্ষণ বিল) সংসদের নিম্নকক্ষে পাশ হওয়াতে খুব হইচই দেখছি। নানা মুনির নানা মত আর কি। মূলতঃ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী'র উদ্যোগ ছিলো এই বিলটির প্রনয়ণে। পশ্চিম মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার সিপিআই সাংসদ গীতা মুখার্জি তিনদশক আগে প্রাইভেট মেম্বার বিল হিসেবে এটি সংসদে প্রথম পেশ করেন। কেনো তিন দশক ধরে বিলটি পড়ে ছিল এবং এখনই বিলটি পাশ করাবার প্রয়োজন পড়লো, সেটা নিয়ে উল্লাসকারীদের বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা বা লজ্জা কোনোটাই নেই। এটা খুব পরিষ্কার যে রাজনৈতিক এজেন্ডাই এই বিল পাশের মূল কারণ এইসময়।

যাইহোক, এই বিল নানা জন নানা দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখছেন। কেউ বলছেন এই বিল কি মহিলাদের পক্ষে সম্মানের? মহিলারা যদি পুরুষদের সমানই হন, তাহলে আলাদা করে সংরক্ষণ কেনো? কেউ বলছেন মিমি, নুসরৎদের মত মহিলাদের সংসদে আসা আরো সহজ হয়ে গেলো! কেউ বলছেন মহিলারা কি সত্যি নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন (ব্যতিক্রম নিশ্চয়ই আছে)? এ প্রসঙ্গে অনেকেই দেখলাম গ্রাম পঞ্চায়েত গুলোর উদাহরণ দিচ্ছেন। অনেক মহিলাই পঞ্চায়েত প্রধান বা পঞ্চায়েতের অন্যান্য পদে আছেন। কিন্তু তারা সই ছাড়া আর কিছুই করেন না। কিছু জিজ্ঞেস করলেই তাদের বর বা ভাসুর বা জামাইবাবু বা শ্বশুরমশায়কে জিজ্ঞেস করতে বলেন। ইনফ্যাক্ট, অনেকেই অফিসেও যান না। তাদের জায়গায় ওইসব পুরুষরাই বেশিরভাগ সময় বসে থাকেন। অর্থাৎ খাতায় কলমে নারীর ক্ষমতায়ণ দেখালেও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সেইসব নারীদের কোনো ক্ষমতাই নেই। কিন্তু শুধুমাত্র গ্রাম পঞ্চায়েতগুলোতেই এরকম হয়, তা একেবারেই নয়। একটু যদি চোখ কান খোলা রাখা যায়, তাহলে দেখবেন পয়সাওয়ালা লোকজনদের "অভিজাত" ক্লাব/সংস্থা গোছের জায়গাগুলোতেও 'মহিলা পরিচালিত' , 'women powered' ইত্যাদি অনেক রকম বড় বড় কথা লেখা থাকলেও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় মহিলাদের কোনো ভূমিকাই নেই। সেসব মহিলারা কিন্তু বেশ "শিক্ষিত"। অনেকেই আবার তাদের মধ্যে অর্থনৈতিক ভাবে স্বাধীন। ইনফ্যাক্ট, বেশিরভাগ মহিলাই কিন্তু গর্ববোধ করেন পদের জন্য বা সেসব ক্লাব/সংস্থার সাথে যুক্ত হতে পেরে। তাদের বরেরা বা অন্য পুরুষরা সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন - এতে তারা বরং খুশিই হয়। কখনো তাদের আত্মসম্মানে লাগে না। অনেকে তো প্রকাশ্যে বলেন যে অনেক টাকা পয়সার ব্যাপার থাকে, আমরা মেয়েরা কি অতসব সামলাতে পারি।!!!! বরং সমাজের "নিচু স্তরে" কাজের দিদি বা সব্জি/ফল বিক্রেতা বা দোকান চালিকারা অনেক বেশী নিজেরা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, কাউকে তোয়াক্কা বা শো-অফ না ক'রে।

সুমন সিনহা
২১/০৯/২০২৩

দিনগুলি মোর - ১

এখানকার বর্ষার চরিত্র পশ্চিমবঙ্গের বর্ষার চরিত্র থেকে অনেকটাই আলাদা। প্রায় আড়াই তিন মাস ধরে বৃষ্টি পড়তেই থাকে - কখনো এক নাগাড়ে, কখনো থেমে থেমে - কখনো খুব জোরে আবার কখনো মাঝারি মাপের। রোদের দেখা প্রায় মেলেনা বললেই চলে। মাঝে মধ্যে একটু হাল্কা রোদ দেখা দিয়েই মিলিয়ে যায়। স্থায়িত্ব খুব কম। তার মধ্যে দিনে রাতে বৃষ্টি চলতেই থাকে। তবে পাওয়ার কাট বা লোডশেডিং খুব কমই হয়। হ'লেও তাড়াতাড়িই চলে আসে। তবে ব্যতিক্রম যে মাঝে মধ্যে হয় না তা নয়।

এই কিছুদিন আগে একদিন সারাদিন ধরেই বৃষ্টি পড়ছে। ভরা বর্ষা যাকে বলে আর কি। সন্ধ্যের পর থেকে বৃষ্টির তীব্রতা আরো বাড়লো এবং ঝুপ করে লোডশেডিং। চারিদিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পরও যখন কারেন্ট এলো না, বুঝলাম ভোগাবে। ব্যালকনিতে গিয়ে দাঁড়ালাম - চারিদিকে নিকষ অন্ধকার আর অবিশ্রান্ত ধারায় বৃষ্টি পড়েই চলেছে। বৃষ্টির শব্দের একটা নিজস্ব ছন্দ আছে - অনুভূতি তে ধরা দেয়। বহুবছর পর সন্ধ্যারাতে একই সাথে লোডশেডিং এবং বাইরে ঝমঝম বৃষ্টি আমাকে নিয়ে চলে গেলো সুদূর অতীতের সেইসব সন্ধ্যায় যখন বর্ষাকালে সন্ধ্যায় ঝমঝম বৃষ্টির সাথে লোডশেডিং ছিল নিত্যদিনের ঘটনা এবং খুবই সাধারণ ব্যাপার।
তা আজ থেকে প্রায় বছর পঁয়ত্রিশ আগের সেসব দিনের কথা আজও স্মৃতিতে পুরোপুরি ধূসর হয়ে যায় নি। মফস্বল শহরের পৈতৃক বাড়ি অনেকটা জায়গা জুড়ে হলেও বেশীরভাগটাই উন্মুক্ত জায়গা ছিল। আমাদের একটা বড় ঘর ছিল, আর তার সাথে লাগোয়া একটা ছোটো ঘর। সেই ছোটোঘরটাই তখন রান্নাঘর ছিল। পরে অবশ্য বাবা আলাদা একটা রান্নাঘর বানিয়েছিল। বড় আর ছোট ঘরের সামনেটা জুড়ে বেশ বড় একটা লাল রঙের শানবাঁধানো বারান্দা। বারান্দা থেকে সিড়ি দিয়ে নামলে ইঁটবাঁধানো বিশাল বড় আয়তাকার একটা উঠোন। উঠোনের দক্ষিণ পূর্ব কোণায় আর একটি বড় ঘর, একটি ছোটো ঘর ও দুটো ঘরের সাথেই লাগোয়া একফালি একটা খালি জায়গা ছিল। উঠোনের ঠিক পূর্বে একটি কুয়ো ছিল। ঐ কুয়ো থেকেই জল তোলা হতো তখন। ঐ লাল শানবাঁধানো বারান্দাটা গ্রিল দিয়ে ঘেরা ছিল না। পরে অবশ্য গ্রিল বসানো হয়। বারান্দায় একটা কাঠের চৌকি রাখা থাকতো আর চৌকির পাশে বেশ উঁচু একটা টেবিল থাকতো। যখন বৃষ্টি পড়তো তখন আমি আর দিদি চৌকির ওপর জড়োসড়ো হয়ে বসে বৃষ্টি দেখতাম। এলোমেলো হাওয়ায় বৃষ্টির ছাঁট এসে যখন গায়ে লাগত, তখন কি যে একটা রোমাঞ্চ হতো আমার! একটু বেশি বৃষ্টি হলেই উঠোনে জল জমে যেতো। কাগজের নৌকা বানিয়ে বারান্দার সিড়িতে বসে উঠোনের জমা জলে নৌকো ভাসানোয় এক অনাবিল আনন্দ ও চরম উত্তেজনা ছিল। বৃষ্টি থামলেই উঠোনের জমা জলে নেমে লাফিয়ে লাফিয়ে চারিদিকে জল ছেটানো ছিল বর্ষার দিনে আমাদের প্রধান খেলা।
এরকম বৃষ্টির দিনে সাধারণতঃ কারেন্ট থাকতো না, বিশেষত সন্ধ্যার পর থেকেই। বৃষ্টির দিনগুলোতে লেখাপড়া করতে মন লাগতো না কিন্তু সন্ধ্যা হ'লেই পড়তে বসা ছিল বাধ্যতামূলক। মাটিতে শতরঞ্জি পেতে একটা হারিকেনের এক দিকে আমি আর অন্য দিকে দিদি। চারপাশে বইখাতা। দুটো হারিকেন ছিল। একটা হারিকেন নিয়ে মা ছোটো ঘরটাতে রান্নাবান্না, সংসারের কাজ এসব করতো আর অন্য হারিকেন টা নিয়ে বড় ঘরের মেঝে তে আমি আর দিদি। বাইরে বৃষ্টি, অন্ধকার আর ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক। হারিকেনের আলো ঘরের রংচটা দেয়ালের ওপর কেমন একটা আলো আঁধারি সৃষ্টি করতো। মাঝে মাঝে ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি মেরে বাইরের বৃষ্টি দেখতাম। অন্ধকারের মধ্যে বৃষ্টির শব্দটাই শুধু শুনতে পেতাম। এখনও বৃষ্টির শব্দ আমায় টানে।
হারিকেনের আলো কার দিকে বেশি পড়ছে সেই নিয়ে আমার আর দিদির ঝগড়া লেগেই থাকতো। কিছু সময় পর পর দুজনেই চেঁচিয়ে মা কে নালিশ জানাতাম "মা, ও নিজের দিকে হারিকেনটা বেশি ঘুরিয়ে নিচ্ছে"। বেশ কয়েকবার বকাবকি বা বারণ করার পরও মা যখন দেখতো কাজ হচ্ছে না, তখন মার দেওয়ার পালা। দিদি মেয়ে বলে বেশীরভাগ সময়ই বেঁচে যেতো, মারটা আমার কপালেই জুটতো। তারপর কিছুক্ষণ পিনপতন নীরবতা। আর তার কিছুক্ষণ পর দিদি বলতো "এ নে ভাই, তোর দিকেই হারিকেন টা বেশি ঘুরিয়ে দিলাম"। এমন একটা পারিবারিক বন্ধনে বড় হয়েছিলাম যে দিদির ওই কথায় রাগের বদলে আমার আনন্দই হতো। আসলে ভালোবাসা সহজাত, ওটা শেখাতে হয় না। ঘৃণার ঠিক উল্টো! হারিকেন জ্বালালে একটা হাল্কা কেরোসিন তেলের গন্ধ পাওয়া যেতো। সেই চেনা গন্ধ আজ একদমই অচেনা হয়ে গেছে।
অন্ধকারের একটা সীমানা আছে। হারিকেনের আলোয় পড়বার সময়ে বোধহয় অজান্তেই মনের ভেতর সেই সীমানা পেরোনোর একটা ইচ্ছে গেঁথে গিয়েছিলো। হারিকেনের পাঠ তো কবেই চুকেছে। আজ চারিদিকে বড্ড আলো। কারেন্ট চলে গেলেই লেড্ আলোর এর্মাজেন্সী, টর্চ। তার ওপর একাধিক মোবাইল ফোনের টর্চের আলোর তীব্রতায় চোখ ধাঁধিয়ে ওঠে। স্পষ্ট দেখবার বদলে কেমন যেনো ঝাপসা দেখি সবকিছু। সেই ঝাপসা চোখে নিজের ঘরে বসে জানালা দিয়ে বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে শুধু মনে হয় - "কি জানি কিসের লাগি, প্রাণ করে হায় হায়"। সুসভ্যতার আলোর বদলে যদি কেউ সেই অন্ধকারটা আবার ফিরিয়ে দিতে পারতো!

সুমন সিনহা
পুণে, ১০/০৯/২০২২

পুনশ্চ: নিচের ছবিটি আমাদের বড় ঘরে তোলা। যতদূর মনে পড়ে আমি তখন ক্লাস ফাইভ আর দিদি তখন ক্লাস এইট।


"You can't force someone to genuinely care about you.
You can't force someone to be faithful to you.
You can't force someone to be the person you need them to be.
The truth is, sometimes the person you want the most is the same person you would be best without.
You have got to understand some things are meant to come into your life, just not meant to stay."

--Cody Bret
03/09/2024

Friday, April 5, 2024

Time marches on, memories stay...

The idea was first raised in 1999 during a meeting of Indian Academy of Sciences. In 2000, Indian Space Research Organization (ISRO) set up the National Lunar Mission Task Force (NLMTF) . In April, 2003 the recommendation of the NLMTF to launch an Indian probe to the Moon was discussed and approved by a large group of famous Indian scientists in the fields of Planetary and Space Sciences, Earth Sciences, Physics, Chemistry, Astronomy, Astrophysics, Engineering and Communication Sciences. In November, 2003 the Government of India gave approval of the mission. India researched and developed indigenous technology to explore the Moon. Finally came the day 22 October, 2008, the red-letter day in the history of Indian Sciences when Chandrayaan - 1, the first Indian lunar probe was launched by ISRO. The vehicle was inserted into lunar orbit on 8 November 2008. On 14 November 2008, the Moon Impact Probe (MIP) separated from the Chandrayaan orbiter at 14:36 UTC and struck the south pole in a controlled manner. The probe hit near the crater Shackleton at 15:01 UTC. Chandrayaan-1 operated for 312 days as opposed to the intended two years, however the mission achieved most of its scientific objectives including detecting the presence of Lunar water, the most notable discovery of the presence of water molecules on lunar soil. The credit for this discovery goes to India. The Chandrayaan-1 also enabled scientists to study the interaction between the solar wind and a planetary body like the Moon without a magnetic field, probably the second notable achievement, India can boast of.

The perseverance and endeavors of Indian scientists to explore moon and to conduct experiments on the materials available on the lunar surface to better understand the composition of the Moon never stopped. Chandrayaan-2, the second lunar exploration mission by India, was a step forward to the steady aim of the Indian scientists. That's why Chandrayaan - 3, the third lunar exploration mission by India was proposed. Chandrayaan - 3 saw the light of the day on 14 July, 2023 when it was launched. And finally came today, 23 August, 2023, when the lander and the rover successfully soft-landed (feather-landed) near the lunar south pole region. Indian scientists have the full faith that Chandrayaan - 3 will successfully fulfil all the objectives. The endeavors will continue and Indian science must progress with the flow of time. The honesty, diligence and hard work of our scientific community over the years should be duly acknowledged by all. Let us all inspire the young dreamers.

Suman Sinha
August 23, 2023
Picture courtesy : Wikipedia



যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন গবেষক হিসেবে আমি লজ্জিত ও ব্যথিত। মেধার দম্ভের সাথে ছদ্ম এলিটিসম্ ও মানসিক বিকৃতি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছলেই এই ঘটনা ঘটা সম্ভব। কদর্য এই সামাজিক ব্যাধির দায় কমবেশি আমার আপনার সবার। স্বপ্নদীপের মৃত্যু এই সিস্টেম কে অনাবৃত করেছে মাত্র। যে সিস্টেমের জন্য গুণমান ও উৎকর্ষে অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় আজ উপাচার্যহীন!!

এঁচোড়েপক্ক ছেলেগুলোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আরেকজন মায়ের কোল খালি হওয়ার আগে অন্তত যদি তারা একটু ভাবে!!!

১২ / ০৮ / ২০২৪
সুমন সিনহা

বিকাশ চন্দ্র সিনহা

মুর্শিদাবাদ জেলার ভূমিপুত্র বিশ্বখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক ডঃ বিকাশ চন্দ্র সিনহা'র প্রয়াণে আমরা শোকস্তব্ধ। প্রসঙ্গত, উনি ২০০১ সালে পদ্মশ্রী ও ২০১০ সালে পদ্মভূষণ সম্মান লাভ করেন। ২০০৫ থেকে ২০১৩ সাল অবধি উনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছিলেন।

১১ /০৮ /২০২৩



জীবনানন্দ দাশ

আজ "নির্জনতম কবি"র মৃত্যুদিন। বিবরবাসী এই মানুষটির সোচ্চার স্বপ্ন ছিলো "কলকাতা একদিন কল্লোলিনী তিলোত্তমা হবে"। ভীষন ক্লা...